কিডনি শরীরের রক্ত থেকে বর্জ্য, অতিরিক্ত পানি এবং ক্ষতিকর পদার্থ ছেঁকে বের করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দীর্ঘদিনের কিডনি রোগের শেষ পর্যায়ে কিডনি যখন স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে ব্যর্থ হয়, তখন সেই অবস্থাকে কিডনি বিকল বলা হয়। এ সময় রোগীকে সুস্থ রাখতে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কিডনি বিকলের চিকিৎসায় মূলত তিনটি পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়—রক্ত পরিশোধনের চিকিৎসা, পেটের ভেতরে বিশেষ তরলের মাধ্যমে রক্ত পরিষ্কার করার চিকিৎসা এবং কিডনি প্রতিস্থাপন। এর পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধ সেবন ও খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনাও জরুরি।
রক্ত পরিশোধনের চিকিৎসা
এ পদ্ধতিতে বিশেষ একটি যন্ত্রের মাধ্যমে শরীরের রক্ত পরিশোধন করা হয়। এজন্য প্রথমে হাতে একটি রক্তনালিতে ছোট অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সংযোগ তৈরি করা হয়। পরে নির্দিষ্ট সময় পরপর রক্ত যন্ত্রে নিয়ে ছেঁকে আবার শরীরে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
সাধারণত সপ্তাহে তিন দিন এ চিকিৎসা নিতে হয় এবং প্রতিবার প্রায় চার ঘণ্টা সময় লাগে। হাসপাতালের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সুবিধা থাকলে বাসায়ও এ চিকিৎসা করা সম্ভব।
তবে এ চিকিৎসার সময় বা পরে ক্লান্তি, দুর্বলতা, মাথা ঘোরা, বমিভাব, পেশিতে টান, ত্বকে চুলকানি, রক্তচাপ কমে যাওয়া এবং সংক্রমণের মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে।
What do you feel about this post?
Like
Love
Happy
Haha
Sad
